Select your Top Menu from wp menus
Last updated: 29/03/2021 at 10:14 PM | আজ মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০ চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০ শাবান, ১৪৪২ হিজরি
শিরোনাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফের ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে আম ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি

ইমরান আলী : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্নস্থানে রবিবার সকালে আবারও ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলার অর্থকরি ফসল আম ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। মুসলধারে বৃষ্টিও হয়েছে ২ ঘন্টাব্যাপী। তবে ঝড়-শিলা বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে জেলার শিবগঞ্জে। রবিবার সকাল সোয়া ৭টা থেকে শুরু হওয়া টানা ২ঘন্টার ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে জেলা অর্থকরী আম ও বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়া জেলা জুড়ে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। রাস্তা-ঘাটে হাটু পরিমাণ পানি জলাবদ্ধতায় পরিণত হয়। সকালে পূর্বাকাশে হঠাৎ জমকালো মেঘ জমে উঠার সাথে সাথে কালবৈশাখীর তান্ডব শুরু হয়। কালবৈশাখীর এই তান্ডবে শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট, দাইপুখুরিয়া, মোবারকপুর ইউনিয়নের আমের গাছসহ বিভিন্ন গাছপালা-বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে আম ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া মনাকষা, ছত্রাজিতপুর, চককীর্ত্তি, শ্যামপুর, দূর্লভপুর, কানসাট ও মোবারকপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টিতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এর আগে কয়েক দফা শিলা বৃষ্টিতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হবার পর আবারো শিলা বৃষ্টির কারণে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছে। অধিকাংশ বাগানে আম নেয় বললেই চলে। আর যেসব বাগানে আম আছে, সেগুলো শিলার আঘাতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পচে গাছ থেকে ঝড়ে পড়বে বলে আশংকা করছেন আম ব্যবসায়ীরা।
এ ব্যাপারে মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুর রহমান (তৌহিদ মিঞা) জানান, আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টির কারণে অবশিষ্ট যা আম ছিল, শিলার আঘাতে ঝরে গেছে। বর্তমানে কালবৈশাখী কারণে বাগানে আম কমে যাওয়ায় বাগানের দাম অর্ধেকও বলছেন না কোন ক্রেতারা।
অন্যদিকে, কানসাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলামও তার এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হবার কথা স্বীকার করে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব নয়। কানসাট ইউনিয়নের মানুষ সবচেয়ে বেশি আম ব্যবসার সাথে জড়িত। বর্তমানে প্রাকৃতিক দূর্যোগের যে অবস্থা, তাতে সাধারণ আম ব্যবসায়ীদের দাঁড়াতে না পারার কথা।
এব্যাপারে, শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এস.এম আমিনুজ্জামান বলেন, রবিবার সকালের কালবৈশাখী ঝড়টা বেশি কানসাট ইউনিয়নের উপর দিয়ে তান্ডব চালিয়েছে। অন্যান্য ইউনিয়নে হালকা ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে। এ ঝড়ে কানসাট ইউনিয়নের ২০ হেক্টর আম বাগানের ক্ষতি হয়েছে। তবে, অন্যান্য ইউনিয়নের ক্ষতির পরিমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। উপ-সহকারিরা মাঠে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (৭ এপ্রিল) কালবৈশাখী ঝড়ে শিবগঞ্জের ২/১ টি ইউনিয়নের মাঝাড়ি ঝড়ের তান্ডবে বেশ কিছু আধাপাকা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ক্ষতি হয়, আমেরও। ওইদিন উপজেলার কানসাট, দাইপুখুরিয়ার বাঘবাড়ি ও মোবারকপুর, মনাকষা, ছত্রাজিতপুর, কানসাট ও মোবারকপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়।

About The Author

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *