Select your Top Menu from wp menus
Last updated: 29/03/2021 at 10:14 PM | আজ মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০ চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০ শাবান, ১৪৪২ হিজরি
শিরোনাম

তামাক গাছে ইবোলার ওষুধ!

10371381_892790344064966_2749492863030350731_n

রেড নিউজ ২৪.কম

জানা অজানা আফ্রিকার কয়েকটি দেশে প্রাণঘাতি ভাইরাস ইবোলা ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না এই রোগের ওষুধ। চলছে গবেষণা। এতে ব্যবহার হচ্ছে তামাক গাছ।


সম্প্রতি ইউক্রেনের বিজ্ঞানী ক্লেবা ও সারা বিশ্ব থেকে জার্মানিতে আসা একদল গবেষক এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, তামাক গাছ খুব তাড়াতাড়ি বড় হয়, যা থেকে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এই অ্যান্টিবডি দিয়ে ইবোলার ওষুধ তৈরি করা যেতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

জার্মানির হালে শহরে অবস্থিত তাঁদের গ্রিনহাউসে শত শত তামাক গাছ উৎপাদন করছেন এই গবেষকরা।

ক্লেবা বলেন, ‘‘এটা একটা জটিল প্রক্রিয়া। এর ফলে গাছগুলো ফরেন ডিএনএ দ্বারা সংক্রমিত হয়, যেটা তাদের শুধুমাত্র প্রোটিন উৎপাদন ছাড়া আর অন্য সব কাজ করতে বাধা দেয়। এই প্রোটিনই হচ্ছে ওষুধ, যা আমরা তৈরি করতে চাই।”

মঙ্গলবার এক খবরে জার্মানির সংবাদ ডয়চে-ভেলে জানিয়েছে, আফ্রিকা থেকে আসা সব সংবাদের দিকে নজর রাখছেন এই গবেষকরা। মার্কিন ২ ওষুধ কোম্পানি তাদের প্রযুক্তির পেটেন্টও চেয়েছে। ইবোলার ওষুধ তৈরিই তাদের উদ্দেশ্য। তবে গবেষণার কাজে প্রয়োজনীয় অর্থের জন্য তারা সরকারের উপর নির্ভর করছে।

ক্লেবা বলেন, ‘‘ওষুধ তৈরির আগে শুধুমাত্র গবেষণা, উন্নয়ন ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্যই বড় কোম্পানিগুলিকে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। তবে ওষুধটা যদি হয় এমন কোনো মহামারির জন্য, যেটা আগে থেকে অনুমেয় নয় এবং যেটা এমন কোনো দেশে হয়েছে যেখানকার রোগীরা আধুনিক ওষুধ কেনার মতো সমর্থ নয়, তাহলে সেই ওষুধ তৈরির যথার্থতা প্রমাণ বড় কোম্পানির জন্য একটু কঠিনই বটে।”

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গাছ থেকে পাওয়া উপাদান প্রথম পর্যায়ে শুধুমাত্র গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হতো। আর এটা থেকে যে ওষুধ তৈরি হয়েছে সেটা অল্প কয়েকজন রোগীর ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে৷

ক্লেবা-র দলে ৩০ জন বিজ্ঞানী কাজ করছেন, যাদের অনেকেই সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বেরিয়েছেন। ২০০৪ সাল থেকে তাঁরা এই জটিল বিষয় নিয়ে কাজ করছেন, যেটা শুধু যে একটা রোগের বিরুদ্ধেই লড়ে, তা নয়৷ ক্লেবা বলেন, ‘‘এটা অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী, ইবোলা তার মধ্যে একটি৷ ফলে এমন একটা ভালো উপায় থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

বর্তমানে তাঁরা শুধু ইবোলা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরির কাজে মনোযোগ দিচ্ছেন। এবং দ্রুত অনুমোদন পাবার আশা করছেন।

About The Author

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *