Select your Top Menu from wp menus
Last updated: 29/03/2021 at 10:14 PM | আজ রবিবার, ৯ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৬ রমজান, ১৪৪২ হিজরি
শিরোনাম

মসজিদ ভেঙ্গে নিচে মার্কেট উপরে মসজিদ করা যাবে কি?

Jamadius-Sani 1 প্রশ্ন: ১. আমাদের আবাসিক এলাকায় সরকারী রাস্তার শেষ প্রান্তে ও নালার পাশে একটি বেড়ার টিন শেড মসজিদ নির্মাণ করা হয়। এ মসজিদে প্রায় এক বছর যাবৎ জুমার নামাযসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে আদায় করার পর পরবর্তীতে মসজিদের এ জায়গায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা সিডিএ-এর কাছ থেকে মসজিদ করার অনুমতি নিয়ে পাঁচতলা বিশিষ্ট জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। দুই তলায় মেহরাব ও মিম্বার করে দুইতলা থেকে পাঁচতলা পর্যন্ত পুরুষের নামায আদায়ের জন্য এবং নিচতলায় মহিলাদের জন্য নামায আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এখন মহিলারা শুধু রমজানেই (নিচ তলায়) তারাবীর নামায আদায় করে এবং জুমার দিন শুধু পুরুষরাই নিচতলায় জুমার নামায আদায় করে। বাকী সময় অন্যান্য দিনে মসজিদের নিচতলায় চেয়ার, টেবিল, ওয়াল আলমারী বসিয়ে সমিতির অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সমিতির কেরানীর জন্য নিচতলায় গ্লাস দিয়ে ঘেরাও করে আলাদা একটি অফিস করে দেওয়া হয়েছে। কেরানীর রুম বন্ধ থাকার কারণে জুমার দিন মুসল্লিরা ওই রুমে নামায আদায় করতে পারে না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে-
ক. মসজিদে নিচতলায় প্রথমে নামায আদায়ের জন্য ব্যবহার করে আসার পর এখন সমিতির অফিস হিসেবে ব্যবহার করা এবং সমিতির কার্যক্রম চালানো বৈধ হচ্ছে কিনা এবং সমিতির ফাইল-পত্র চা নাস্তা প্লেট ও সমিতির শত শত নারী পুরুষ সদস্যদের ছবিযুক্ত ফরমসহ ও অন্যান্য জিনিসপত্র মসজিদের ভিতরে রাখা এবং দুনিয়াবী কথাবর্তা বলাসহ বিভিন্ন হিসাব নিকাশ ইত্যাদি মসজিদের ভিতরে করা বৈধ হচ্ছে কিনা? মসজিদের দানকৃত লাইট, ফ্যান, এসি সমিতির কাজের সময় সদস্যরা ব্যবহার করা বৈধ হচ্ছে কিনা? যদি অবৈধ হয় যারা এভাবে মসজিদের ভিতর দুনিয়াবী কথাবার্তা এ কাজকর্ম করছে এবং ব্যবহারের পক্ষে যুক্তি ও সমর্থন জানাচ্ছে সবাই অপরাধী হবে কিনা? আর যদি অফিস বানানো বৈধ হয়, জুমার দিন যারা অফিসের ভিতর জুমার নামায আদায় করবে তারা জামে মসজিদে জুমার নামায আদায়কারীদের মত ফজিলত পাবে কিনা?
খ. মসজিদ নতুন করে বানানোর সময় মসজিদ নির্মাতাদের মনে মনে নিয়ত ছিল যে নিচ তলায় সমিতির অফিস করা হবে। ২য় তলা থেকে উপরের তলাগুলো মসজিদ হবে। কিন্তু জায়গার সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ জামে মসজিদ করার অনুমতি দেওয়ার সময় নিচতলা অফিস করার কোন অনুমতির কথা কাগজপত্রে উল্লেখ করেনি। এ অবস্থায় মসজিদ নির্মাতাদের শুধু মনে মনে নিয়ত ছিল, যে নিচতলা অফিস হবে। এর উপর ভিত্তি করে জামে মসজিদের নিচতলাকে অফিস বানানো যাবে কিনা?
গ. আর যদি জায়গার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জামে মসজিদ করার অনুমতি নেয়ার সময় নিচতলায় সমিতির অফিস করার অনুমতি নিয়ে নিচ তলাকে আবাসিক এলাকার সমিতির অফিস করে, দ্বিতীয় তলা থেকে উপরের তলা গুলোকে জামে মসজিদ করলে, (নিচ তলাকে বাদ দিয়ে) শুধু উপরের তলাগুলা (২য় তলা থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত) জামে মসজিদ হবে কিনা এবং জামে মসজিদের হুকুম আহকাম ও ফজিলত পাওয়া যাবে কিনা? এই পদ্ধতির মধ্যে মসজিদের দানকৃত টাকা দিয়ে উক্ত নিচতলা বা অফিস নির্মাণ করা যাবে কিনা। মসজিদের জন্য দানকৃত টাইলস, লাইট, ফ্যান, এসি বিদ্যুৎ সংযোগসহ মসজিদের জিনিসপত্র অফিসে লাগানো ও ব্যবহার করা যাবে কিনা এবং সমিতির সদস্যরা ও আবাসিক এলাকার দারোয়ানেরা মসজিদের প্রস্রাব, পায়খানা, খাওয়ার পানি ইত্যাদি ব্যবহার করা বৈধ হবে কিনা? আমাদের মূল প্রশ্ন হচ্ছে, শরীয়তের ভাষায় নিচের তলা কি মসজিদ না অফিস?
{{{ গোলাম ফারুক ১৫ নং বাগমরিয়ম ওয়ার্ড, চট্টগ্রাম। }}}}
 উত্তর: মহান আল্লাহ্ তা’আলা ক্বোরআনুল কারীমে এরশাদ করেন- وان المساجد لله অর্থাৎ এবং নিশ্চয় মসজিদগুলো আল্লাহরই জন্য।
[সূরা জিন: আয়াত ১৮, পারা ২৯]

উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় এনায়া কিতাবে ও ফতহুল কদিরে বলা হয়েছে-

Jamadius-Saniاضاف المسجد الى ذاته مع انّ جميع الاماكن له- فاقتضى ذلك خلوص المساجد لله تعالى- ومع بقاء حق العباد فى أسفله اوفى أعلاه لا-يتحقق الخلوص
অর্থাৎ ‘সমস্ত পৃথিবী মহান আল্লাহ্ তা’আলার জন্য হওয়া সত্ত্বেও মসজিদকে আল্লাহর দিকে নিসবত বা সম্পর্ক করা হয়েছে। যা মসজিদসমূহ একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর জন্য হওয়া চায়। আর যদি মসজিদের উপরে এবং নিচে বান্দার মালিকানা বাকি থাকে তাহলে তা একনিষ্ঠতা আল্লাহর প্রতি হবে না।

[ফতহুল কদির, আল্লামা ইবনু হুম্মাম, খণ্ড ৬, পৃ. ২১৭]

বিশ্ববিখ্যাত ফতেয়া গ্রন্থ রদ্দুল মোহতারের মধ্যে আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী হানাফী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বর্ণনা করেন-

অর্থাৎ মসজিদ হওয়ার জন্য শর্ত মসজিদের উপরে এবং নিচে মসজিদই থাকবে। যেন বান্দার মালিকানা না থাকে। ফকিহে মিল্লাত মুফতি জালালুদ্দীন আহমদ আমজাদি তার অন্যতম ফতোয়া গ্রন্থ فتاوى فيض الرسول এর মধ্যে বলেন, ‘মসজিদ হলো ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিকোণে মুসলমানের ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট একটি স্থান এবং যেটি আল্লাহর জন্য ওয়াক্ফকৃত। যেখানে কোন বান্দার মালিকানা থাকতে

পারবে না।
[ফাতাওয়ায়ে ফায়দুর রসূল, মুফতি জালালুদ্দিন আহমদ আমজাদি: ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৫০]

মসজিদের চিহ্নিত জায়গাটি (মূল মসজিদ ও বারান্দাসহ) যে পরিমাণ জায়গা যেখানে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে এবং জুমা-জামাত ও নামায-কলমা হয়েছে বা হচ্ছে তা কেয়ামত পর্যন্ত মসজিদ হিসেবে সাব্যস্ত থাকবে। যেমন হানাফী মাযহাবের অন্যতম নির্ভরযোগ্য কিতাব আদ্দুররুল মোখতার কৃত: ইমাম আলাউদ্দীন হাসকাপী হানাফী রহমাতুল্লাহি আলায়হিসহ ইসলামী ফিকহের নির্ভরযোগ্য ফতোয়া গ্রন্থ সমূহে উল্লেখ করা হয়েছে ان المسجد الى عنان السماء অর্থাৎ নিশ্চয় মসজিদ আসমান পর্যন্ত।
আর রদ্দুল মোহতার এ আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী হানাফী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেন, كذا الى تحت الثرى অর্থাৎ তদ্রুপ মসজিদ সর্বনিম্ন তাহতুছ ছারা পর্যন্ত। বস্তুত মসজিদের চিহ্নিত জায়াগা (বারান্দাসহ) বরাবর উপরে আসমান ও নিম্নে তাহতুছ ছারা পর্যন্ত মসজিদ হিসেবে নির্ধারিত। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া উক্ত নির্ধারিত মসজিদ বিনা প্রয়োজনে শহীদ করা বা ভেঙ্গে আগের চেয়ে ছোট করা বা মসজিদের বারান্দাসহ চিহ্নিত জায়গায় নিচতলা বা উপরে দুনিয়াভী কোন প্রতিষ্ঠান স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, কোন দোকান করা বা আবাসিক এলাকার সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা অফিসের ব্যবস্থা করা এবং সেখানে এলাকার শত শত নারী-পুরুষের আসা-যাওয়া ও দুনিয়াবী কথা-বার্তায় লিপ্ত হওয়া এমনকি মসজিদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত করে সেখানে ধর্মীয় কোন প্রতিষ্ঠান মাদরাসা, খানকাহ ইত্যাদি করা হারাম।ইমামে আহলে সুন্নাত হযরত শাহ্ আহমদ রেযা হানাফী রহমাতুল্লাহি আলায়হি ফতোয়ায়ে রজভীয়া ৩য় খণ্ড, ৫৭০ পৃষ্ঠায় এভাবে বর্ণনা করেছেন।
মসজিদের নির্মাণসহ যাবতীয় খেদমত আঞ্জাম প্রদান প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র ক্বোরআনে এরশাদ করেন-
اِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللهِ مَنْ اَمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْاَخِرِ وَاَقَامَ الصَّلَاةَ وَاَتَى الرَّكَاةَ وَلَمْ يَخْشَ اِلَّا اللهَ فَعَسَى اُولَئِكَ اَنْ يَّكُوْنَ مِنَ الْمُهْتَدِيْنَ-
অর্থাৎ আল্লাহর মসজিদ সমূহ তাঁরাই আবাদ করে যারা আল্লাহ্ ও কিয়ামতের উপর ঈমান আনে, নামায কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় করে না, সুতরাং তাঁরা অতিসত্তর হেদায়ত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। [সূরা তাওবা: ১৮]
এ আয়াতের ব্যাখ্যায় হাকিমুল উম্মাহ্ মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেন এ আয়াত থেকে দু’টি মাসআলা বুঝা গেল। এক. মসজিদ নির্মাণ ও আবাদ করা ইত্যাদির অধিকার শুধু মুসলমানদেরই রয়েছে। কাফিরদের বানানো মসজিদ শরিয়ত মোতাবেক মসজিদ হবে না। দুই. মসজিদ আবাদ রাখার আগ্রহ ঈমানের চিহ্ন।
[তাফসীরে নূরুল ইরফান: সূরা তাওবা, পৃষ্ঠা ৩০১]

তবে মসজিদের নির্ধারিত জায়গায় মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে এবং সেখানে জুমা-জামাত ও নামায-কলমা শুরু হওয়ার আগে নির্মাণের সময় মসজিদের স্বার্থে এবং মসজিদের যাবতীয় খরচ নির্বাহের জন্য মসজিদের জন্য নির্ধারিত জায়গার নিচে ভাড়ার দোকান বা মসজিদের যাবতীয় সামান/আসবাবপত্র রাখার ঘর এবং উপরে ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেম থাকার জন্য ঘর বানাতে অসুবিধা নেই। তবে মসজিদ হয়ে যাওয়ার পর এবং নির্মিত মসজিদে নামায-কলমা ও জুমা-জামাত কায়েম হওয়ার পর উক্ত মসজিদের নিচে বা উপরে কোথাও ঘর/ ভাড়ার দোকান/অফিস-আদালত/সমিতির অফিস/ ইমাম-মোয়াজ্জিন ও খাদেমের থাকার জন্য ঘর ইত্যাদি করা যাবে না। যেহেতু তা মসজিদের প্রতি বেহুরমতি ও আদবের খেলাফ। এমনকি অনেক দিনের পুরাতন মসজিদকে প্রয়োজনে শহীদ করে সেখানে নতুন ভাবে মসজিদের ইমারত কায়েম করা হলে তখনও উপরে বা নিচে ভাড়ার ঘর/দোকান/অফিস/ এলাকার সমিতি ইত্যাদি করা যাবে না। যেহেতু এটা পূর্ব হতে মসজিদ হয়ে গেছে। ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ও দুররে মোখতারের বরাতে বাহারে শরিয়ত এ ১০ম হিস্সা, ৫৭ নম্বর পৃষ্ঠায়, মসজিদ সংক্রান্ত অধ্যায়ে মুফতি আমজাদ আলী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বর্ণনা করেন-
يوں هي مسجد كے نيچے كرايه كى دكانيں بنائى گںيœ اوپر مكان بنايا گيا جن كى امدنى مسجد ميں صرف هوگى توحرج نهيں يا مسجد كے نيچے ضرورت مسجد كے ليے ته خانه بناياكه اس ميں پانى وغيره ركها جائے گا يا مسجد كا سامان اس ميں رهے گا توحرج نهيں- (عالميرى) مر يه اُس وقت هے كه قبل تمام مسجد دكا نيں يا مكان بناليا هو اور مسجد هو جانے كے بعد اسكے نيچے دكان بنائى جاسكتى نه اوپر مكان- (در مختار)
উপরোক্ত প্রমাণাদি ও বর্ণনা সমূহের আলোকে ইসলামী শরিয়তের ফায়সালা হল যে, নামায-কলমা, জুমা-জামাত ও ইবাদত-বন্দেগী কায়েম বা জারি হওয়ার পর উক্ত মসজিদের নিচে বা উপরে কোন ভাড়ার দোকান/ঘর/এলাকার সমিতির অফিস ইত্যাদি করা যাবে না। মসজিদের নিচ তলায় নারী-পুরুষের অবাধ চলাফেরা, আড্ডা, গল্প-গুজব, ধুপমান ইত্যাদি করা মসজিদের প্রতি অবজ্ঞা, হেয়প্রতিপন্ন করার নামান্তর। যা কোন প্রকৃত মুসলমানের চরিত্র বা আদর্শ হতে পারে না। যারা মসজিদে এ সর্ব গর্হিত কার্য-কলাপ করবে বা সমর্থন করবে তারা অবশ্যই অপরাধী ও গুনাহগার হবে এবং তাওবা করতে হবে।
উল্লেখ্য যে, সরকারি জায়গায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা বা সিডিএ’র অনুমতিক্রমে মসজিদ নির্মাণ করলে তা শরীয়ত মোতাবেক মসজিদ হয়েছে। সেখানে জুমা-জামাত ও নামায কলমা মসজিদ নির্মাণের পর হতে চালু করা হলে পরিবর্তীতে উক্ত মসজিদের নিচতলায় চেয়ার টেবিল আলমিরা বসিয়ে সমিতির অফিস হিসেবে ব্যবহার করা, সমিতির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা, সেখানে চা-নাস্তা খাওয়া ও গল্প-গুজব করা তথা দুনিয়াবী তামাশা ও আড্ডা-বাজী করা, নিচতলায় গ্লাস দিয়ে আলাদা অফিস বানানো মসজিদের আদব ও পবিত্রতাকে নষ্ট করে- বিধায় তা অবশ্যই পরিহার করতে হবে নতুবা যারা এ ধরণের গর্হিত কাজ করবে বা সমর্থন করবে এবং মসজিদের পবিত্রতা হানি করবে অবশ্যই গুনাহগার হবে।
যা ইতোপূর্বে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এবং মসজিদের জন্য দানকৃত লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি মসজিদের নিচ তলায় সমিতির অফিস বানিয়ে সেখানে ব্যবহার করাও গুনাহ্ এবং অবৈধ। আর নিচতলায় বানানো অফিস কক্ষে জুমা বা পঞ্জেগানা নামায পড়লে আদায় হয়ে যাবে যদি ২য় ও ৩য় তলায় জামাতের কাতার পরিপূর্ণ ও মিল থাকে। আর মুসল্লিদের জমাতের কাতার ১ম, ২য় ও ৩য় বা আরো উপরে পরিপূর্ণ না করে মুসল্লিরা ইচ্ছা ও খেয়াল-খুশীমত কিছু ইমাম সাহেবের সাথে আর কিছু উপরে বা নিচ তলায় দাঁড়ালে মাকরূহে তাহরিমা ও গুনাহগার হবে।
ইমাম সাহেব মসজিদের যে তলায় নিয়ত করেছে প্রথমে মুক্তাদিরা উক্ত তলা সম্পূর্ণ ভর্তি করবে তারপর উপরে নিচে ইক্তেদা করবে। উল্লেখ্য যে মসজিদের নিচ তলায় পুরুষদের সাথে জুমা-জামাতে মহিলাদের অংশগ্রহণ মাকরূহ এবং গুনাহ। ফতোয়া আকারে মাসিক তরজুমান জিলহজ্ব ১৪৩৭ হিজরী, সেপ্টম্বর ২০১৬ সংখ্যায় প্রমাণ সহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তা দেখার অনুরোধ রইল।
সংগৃহীত-anjumantrust.org

About The Author

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *